04 September 2026
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সম্প্রীতির কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিরচিত ভজন ও কীর্তন
গত ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে বাঁশরী- একটি নজরুল চর্চা কেন্দ্র এর আয়োজনে মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ভজন ও কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন বাঁশরীর শিল্পীবৃন্দ। শিল্পী সুদাম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন বাঁশরীর শিল্পী মিলন পোদ্দার, সিদ্ধার্থ গোলদার, দিপান্তিকা গোলদার, সংগীতা পাল, রেহানা পারভীন হাসি, হৃদয় হোসেন, সুমাইয়া সুলতানা অনি, খ্রীস্টিনা গোমেজ গোধূলি ও স্বপন বিশ্বাস। শিল্পীগণ দলীয় ও একক কণ্ঠে নিম্নলিখিত নজরুল সংগীত পরিবেশন ও কবিতা আবৃত্তি করেন।
১। তিমির বিদারী অলখ বিহারী – দলীয়, ২। গাহ নাম অবিরাম – দলীয়, ৩। সখী আমি না হয় মান করেছিনু (দিপান্তিকা গোলদার), ৪। শ্যাম তুমি যদি রাধা হতে শ্যাম (রেহানা পারভীন হাসি), ৫। আমি গিরিধারী সাথে (সুমাইয়া সুলতানা অনি), ৬। সখি সাজায়ে রাখলো (হৃদয় হোসেন), ৭। কবিতা – ভাবের শ্যাম (দিপান্তিকা গোলদার, রেহানা পারভীন হাসি, সুমাইয়া সুলতানা অনি), ৮। হৃদি পদ্মে চরণ রাখো – দলীয়, ৯। আজি মনে মনে লাগে হরি (খ্রীস্টিনা গোমেজ গোধূলি), ১০। হারিয়ে গেছ ব্রজের কানাই (মিলন পোদ্দার), ১১। বাজে মঞ্জুল মঞ্জির রিনিকি ঝিনি (সংগীতা পাল), ১২। বনে যায় নন্দ দুলাল (সিদ্ধার্থ গোলদার), ১৩। তোরা বলিস লো সখি (সুদাম কুমার বিশ্বাস), ১৪। আমার মা যে গোপাল সুন্দরী – দলীয়।
প্রত্যাশিত দর্শক উপস্থিতির মধ্যে উৎসবমুখর,
আনন্দঘন আবহে জন্মাষ্টমীর এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের প্রতিনিধিসহ
উপস্থিত ছিলেন বাঁশরীর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি ড. ইঞ্জিনিয়ার খালেকুজ্জামান ও বাংলাদেশ
বন্ধু ফাউন্ডেশন (বন্ধু) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. অনিমেষ সরকার।