10 October 2026
মহালয়া ২০২৬ উপলক্ষে পূর্ব মেরুল বাড্ডা ও মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাসংগীতের অনুষ্ঠান
বাঁশরী – একটি নজরুল চর্চা কেন্দ্র প্রতিবছর শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত মন্দিরে দুর্গাসংগীতের অনুষ্ঠান আয়োজন করে এবং কাজী নজরুল ইসলাম রচিত দুর্গাসংগীত পরিবেশন করে থাকে। নজরুল রচিত দুর্গাসংগীতগুলো সুরে ও বাণীতে অনন্য হলেও এগুলো প্রচারণার অভাবে সাধারণ শ্রোতাদের কাছে পৌঁছায়নি বিধায় তা অনেকের অগোচরে রয়ে গেছে। সাধারণ শ্রোতা ও সংগীতপ্রিয় মানুষের কাছে নজরুলের লেখা দুর্গাসংগীত পৌঁছে দিতে বাঁশরী বিগত বছরের ন্যায় এবারও ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দুর্গাসংগীত পরিবেশনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
গত ১০ অক্টোবর ২০২৬, মহালয়া উপলক্ষে বাঁশরী পূর্ব মেরুল বাড্ডার নিমতলা মন্দির ও মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাসংগীত পরিবেশন করে। বাঁশরীর শিল্পীগণ দলীয় ও একক কণ্ঠে নজরুল রচিত নিম্নলিখিত দুর্গাসংগীতগুলো পরিবেশন করে।
১। প্রণমামী শ্রী দুর্গে, ২। ওরে আলয়ে আজ মহালয়া, ৩। ওরে আয় অশুচী, ৪। আনন্দ রে আনন্দ, ৫। মা এসেছে মা এসেছে, ৬। জয় মহাকালী, ৭। মায়ের আমার রূপ ৮। মাগো কে তুই, ৯। এলো রে এলো ঐ, ১০। খড়ের প্রতিমা পূজিসরে তোরা।
পূর্ব মেরুল বাড্ডার নিমতলা মন্দির ও মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাসংগীত পরিবেশনের সাথে যুক্ত শিল্পীরা হলেন-
১। সংগীতা পাল, ২। সুমন চন্দ্র দাস, ৩। সুচিত্রা দাস রাণী, ৪। ঝিলিক দেবনাথ, ৫। অনন্যা মজুমদার, ৬। অবন্তী সরকার, ৭। খ্রিস্টিনা গোধূলি গমেজ, ৮। সুমাইয়া সুলতান অনি, ৯। স্বপন চন্দ্র দাস, ১০। রত্না সরকার ১১। হৃদয় হোসেন, ১২। রেহানা পারভীন হাসি, ১৩। পৃথুলা দত্ত প্রজ্ঞা, ১৪। মিলন পোদ্দার, ১৫। ড. অঞ্জনা ইসলাম, ১৬। শিল্পী আক্তার, ১৭। সুদাম কুমার বিশ্বাস, ১৮। শাহেদুল ইসলাম, ১৯। টিটো মুন্সি।
মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে মহালয়া অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয়
পরিবেশনা ছিল বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সীর কণ্ঠে আবৃত্তি। তিনি সাম্যের কবি
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত “আগমনী কবিতা” আবৃত্তি করেন।